আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। গত ২৮ ডিসেম্বর খুলনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি। এ সময় জমা দেয়া হলফনামায় তিনি নিজের ও স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরেছেন। এতে দেখা যায়, বকুলের ব্যক্তিগত সম্পদের তুলনায় তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ বহুগুণ বেশি।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, রকিবুল ইসলাম বকুলের স্ত্রী শামীমা পারভীন পেশায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তার নামে ঘোষিত অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থ, সঞ্চয়পত্র, নগদ টাকা এবং স্বর্ণালংকার। পাশাপাশি তার নামে থাকা স্থাবর সম্পদের বাজার মূল্য দেখানো হয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকারও বেশি। জমি ও ভবনসহ এই স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, রকিবুল ইসলাম বকুলের নামে ঘোষিত অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের হিসাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে তিনি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া প্রায় ৭৩ লাখ টাকা মূল্যের একটি ভবনের মালিকানা থাকার তথ্য দিয়েছেন। ব্যবসা থেকে বকুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা।
এমবিএ ডিগ্রিধারী রকিবুল ইসলাম বকুলের পেশা হিসেবে ‘রাজনীতি’ উল্লেখ করা হলেও আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবসা ও অন্যান্য বৈধ উৎসের কথা বলা হয়েছে। হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রকিবুল ইসলাম বকুলের কাছে একটি শটগান ও একটি পিস্তল রয়েছে। সম্পদের পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তার প্রায় ২০ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে।
এছাড়া রকিবুল ইসলাম বকুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এসব মামলা বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন ও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হয়েছে বলে জানা গেছে।
পিকে / এম এন আলী শিপলু
Comments
Post a Comment